চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করেছে ৮ বছর ৩ মাস বয়সী রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ। অল্প বয়সে তার এমন সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
মুগ্ধ ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামের বাসিন্দা। সে মিরসরাই উপজেলার দারুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানার হিফজুল কোরআন বিভাগের শিক্ষার্থী।
মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র ১১ মাসে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করে মুগ্ধ। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।
মুগ্ধ জানায়, পরিবার ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই সে হাফেজ হতে পেরেছে। এ জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে সে। ভবিষ্যতে হাফেজ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে তার। বড় হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চায় মুগ্ধ।
মাদরাসার মোহতামিম আবু নাছির মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, মুগ্ধ পরিবারের সঙ্গে থেকে নিয়মিত মাদরাসায় এসে হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার বাবা প্রতিদিন রাত ৩টার দিকে তাকে মাদরাসায় পৌঁছে দিতেন। মুগ্ধের এই সাফল্যের পেছনে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। মাত্র ১১ মাসে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন তিনি।
মুগ্ধের বাবা মাসুদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই তার ছেলে ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিল। কোথাও মসজিদ হয়েছে শুনলে সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করত এবং নামাজ আদায় করতে চাইত। পরে তাকে হাফেজ করার উদ্দেশ্যে মাদরাসায় ভর্তি করানো হয়।
তিনি বলেন, মহান আল্লাহর রহমত এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাত্র ৮ বছর বয়সে ১১ মাসে ছেলে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। এ জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তার ছেলে বড় হয়ে হাফেজ ডাক্তার হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চায়। মহান আল্লাহ যেন তার এই স্বপ্ন পূরণ করেন—এ জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
মুগ্ধ ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামের বাসিন্দা। সে মিরসরাই উপজেলার দারুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানার হিফজুল কোরআন বিভাগের শিক্ষার্থী।
মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র ১১ মাসে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করে মুগ্ধ। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।
মুগ্ধ জানায়, পরিবার ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই সে হাফেজ হতে পেরেছে। এ জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে সে। ভবিষ্যতে হাফেজ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে তার। বড় হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চায় মুগ্ধ।
মাদরাসার মোহতামিম আবু নাছির মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, মুগ্ধ পরিবারের সঙ্গে থেকে নিয়মিত মাদরাসায় এসে হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার বাবা প্রতিদিন রাত ৩টার দিকে তাকে মাদরাসায় পৌঁছে দিতেন। মুগ্ধের এই সাফল্যের পেছনে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। মাত্র ১১ মাসে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন তিনি।
মুগ্ধের বাবা মাসুদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই তার ছেলে ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিল। কোথাও মসজিদ হয়েছে শুনলে সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য বায়না করত এবং নামাজ আদায় করতে চাইত। পরে তাকে হাফেজ করার উদ্দেশ্যে মাদরাসায় ভর্তি করানো হয়।
তিনি বলেন, মহান আল্লাহর রহমত এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাত্র ৮ বছর বয়সে ১১ মাসে ছেলে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। এ জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। তার ছেলে বড় হয়ে হাফেজ ডাক্তার হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চায়। মহান আল্লাহ যেন তার এই স্বপ্ন পূরণ করেন—এ জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
অনলাইন ডেস্ক